সময়ের সমান্তরাল।। মামুন ম. আজিজ
‘আঠরো শতকের পক্ষী হইয়া দ্বাবিংশে উড়িলে হয়তো বিদ্যুৎ তারে শক্ করিয়া মরিবে…
তেমনি আঠরো শতকের প্রতিভা লইয়া দ্বাবিংশে দাপাইলে অচিরেই ঝরিয়া পড়িবে…’
-এই দু লাইনেই শেষ হয়ে যেতে পারতো জ্ঞান, উক্তি কিংবা বাণী …
কিন্তু কথা থেকে যায় , কথা রয়ে যায় …
যে কথা উহ্য নামে সাঁতরে যাচ্ছে দূরে,
সে কথা চলে খাপ খাওয়ানোর সুরে –
মানে খাস ইংরেজীতে তা এডাপটেশন ,
সাথে মেশানো যায় কয়েক মুঠো রিয়ালাইজেশন।
তাহার জন্য সময় দিতে হয়, ধীরে ধীরে নতুন জ্ঞান রপ্ত করিতে হয় তারপর প্রজ্ঞায় যেত হয় ঢলে পরে ,
যতই পুরাতন হলে কিংবা মান্ধাত্তার বা ঘুনে রক্ষনশীল-
সময়কে আকঁড়ে নিলে, আষ্টেপিষ্ঠে বেঁধে নিলে, সময়ের পিঠে সওয়ারি হলে –
সেইতো ওড়া শুরু , দাপানোর পদ শব্দ তখন হবে ভারী-গুরু গুরু …
সময়কে ধারণ করতে হয়, ধারণ করা মেনে নিতে হয়,
তারজন্যে কতদিন ঘন্টা মিনিট সেকেন্ড দাঁতে দাঁত চেপে বসে আছি।
সময়ের পিঠে উঠবো যেদিন লিখবো সেদিন নতুন নতুন প্রজ্ঞা,
পুরতান সব ভেঙে চুরে তখন ভেতরটাতে কি যেন পাবে অক্কা।
ভেতরে ভেতরে কুরে কুরে মরে আর কত কাল যাবে বল চলে…
আধুনিক হব, উপযোগী হব, তবেই হবে শক্ত সুর
সেই সুরে তবে পঁচা অতীতের ঘুন সবই হইবে দূর !
তাইতো বিরতি -ক্ষণিক ক্ষান্ত কাল
সম্মুখে দেখি দৌড়বিদ আমি সময়ের সমান্তরাল !













