হঠাৎ দেখা।। আযাহা সুলতান
৩০ জুন, ২০২৪
একদিন দেখেছি যারে
হিমানির দেশে হিমছড়ি পর্বতচূড়ায়
অনেক খুঁজেছি তারে শ্রীকান্তনগরে—
শ্রীলেখা হয়ে শঙ্খদেবের বাজার
তারাবিবির হাট থেকে চন্দ্রবানের ঘাট।
অনেক দেখেছি সুন্দরী—
বড়রেখা ছোটবাড়ি গুমধুম শিলাছড়ি চষে
অনেক এসেছে কাছে
বসেছে পাশে
পুছেনি তার মতো ‘এসেছেন কোত্থেকে’
চায়নি চাতকীর মতো পিয়াসা-নয়নে—অপূর্ব-চাহনে।
হায়! আবার যদি হতো হঠাৎ দেখা জীবনের বাঁকে
চোখবুজে বলতাম গোপনীয়তা নিঃসঙ্কোচে—
বিধাতার অপূর্ব সৃষ্টি ‘তুমি, তুমি শুধু তুমি’
মিলনের সৈকতে বসে
মনের লুকানো কথা বলা হতো তার পাদপদ্মে হাত রেখে
গোপন ইচ্ছা প্রকাশ হলে—
প্রফুল্লমনের উৎফুল্লচোখে সম্মতির মাথা নেড়ে
হয়তো বলত সে ‘কেন বলেননি তখন তা হলে’।
গলে যেতাম হিমালয়ের বরফের মতো
ভেসে যেতাম কিবা কর্ণঝরা হয়ে মুক্তাঝরা হাসিতে
জন্মের সব যন্ত্রণা ভুলে সান্ত্বনার বাহুডোরে
হারিয়ে যেতাম—হয়তো খুঁজে পেতাম কিছুটা শান্তি
ছুটতাম আবার কামনার হাতধরে সমুদ্রসাক্ষাতে।
হাওয়ায় উড়ন্ত চুলরাশি পড়ত তার মুখে আসি
বারবার সরিয়ে দিতে দিতে আদর হতো এতখানি
হয়তো বলত সে সঙ্কোচে ‘এত ভালো কেউ বাসতে পারে’
বলতাম কানেকানে—
রাজত্ব ত্যাগের ক্ষমতা থাকে যে-চোখের ভেতরে
রাজত্ব ত্যাগ করা যায় ও-চোখের চাহনির চাহাতের আকর্ষণে।
(বুনোহাঁস-‘মেঘ মেদুর বরষা’ সংখ্যা)













