শুভাকাঙ্ক্ষীদের দুশ্চিন্তা রোধের জন্য।। শিশির আজম
১৫ জুলাই, ২০২৪
ধরে নাও
এতে কোন রাজনীতি নেই।
জলজ প্রাণী মাছ আঁশ ছাড়া বুঝি
বাঁচে?
চলনসই কোন ছাঁপ
না পেলে চলে?
বুঝতে পারছি
সমস্যাটা নিয়ে বেশ সমস্যায় আছ।
বেশ
একটু পেছানো যাক
ধরো ১৯৫৭
১৯০৫
অথবা ১৯১৭
এই সাল-তারিখ জিনিসটা মাথা নষ্ট করে দেয়।
সমুদ্র কি অতো ভারী?
না হয় আমি দিলাম না লাই কাঁকড়ার বাচ্চাদের।
উদ্ভিদ আর লতাপাতায়
মোড়ানো
ভয়ংকর কতকগুলো চোখ
আমার।
বলতে পারতাম আমার বাড়িতে এসো।
কিন্তু আমার ভয় হচ্ছে
দুঃখ হচ্ছে
আমাকে আদৌ চিনতে পারবে কি না!
আমরা অসুখী ঘরের সন্তান
ঘরের ভালমন্দ নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে
আপাতত পুরনো খবরের কাগজটা তুলে আনা যাক
যা পড়ে রয়েছে ঠান্ডা মেঝেয়
যা পড়ে থাকা অনিরাপদ।
সরল সাদাসিদে ভোরের কথা বলে গিয়েছিলেন এক লেখক,
শস্যকণার কথা
শিশিরে জড়ানো
ছিল না কোন মধ্যসত্বভোগীর অস্তিত্ব।
শস্যক্ষেত আর নদী আর বাইজেন্টাইন আর্কিটেকচার
আর পুঁজি
আর মুনাফা-
এভাবে আত্মহত্যা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যাবে?
রাতে আর দিনে, পেঁচার দেখা দু’রকম।
বন্যপ্রাণীরাও হামাগুড়ি দেয়
সূর্যের মতো।
বিশুদ্ধ শ্বাসের তারামন্ডলিতে
যেটি প্রায় নিষ্প্রভ
দেকা যায় না
ওটাই আমি
আমরা।
(বাদল বরিষণে/বুনোহাঁস সপ্তম সংখ্যা)













