Bunohash Banner

অন্দরকেল্লা।। শাহীন সুলতানা

১৫ জুলাই, ২০২৪

আইজ কতোদিন হইলো তুমারে দেহি না কও!
কত্তো রাইত তুমার লগে আমার কথা হয় না!
সারাদিন মনডার মইদ্দে আনচান আনচান করে;
জানডার মইদ্দে খালি কচলায়।
মনে কয়- একবারের জন্যি হইলেও তুমার চান্দের নাগাল মুখখানা যদি দ্যাখতি পাত্তাম!

আমি জানি- তুমারে ছোঁয়া অত্তো সহজ কথা না।
কুথায় আকাশ আর কুথায় ভূমি!
আকাশের চান্দের গায় মানুষ কি কুনো দিন
হাত দিবার পারে কও?
পারবে না! তবু ক্যান যে আমি তুমারে চাইলাম
হেই জটিল প্রশ্নের উত্তর আমি কুনোদিনের জন্যিতি মিলাবার পারি নাই ।

ভরা রাইতকালে আকাশের চানখান যহন একলা জাইগা থাকে তহন আমিও এতিমের লাহান তুমার ছবিখানের দিকে একদৃষ্টিতে চাইয়া থাকি।
কতকাল ধইরা যে এমনি কইরা তাকাই সেই কথা
খালি আমার ঈশ্বর জানে!

মনডায় কয়- জীবনে শুধু এট্টাবার, শুধু এট্টাবারের জন্যিও যদি তোমারে নিজের কইরা ছুঁইয়া দিবার পাত্তাম আমার মানব জন্ম সার্থক হইয়া যাইতো,
জীবনে নতুন কইরা আমার আর কিচ্ছু চাইবার থাকতো না!

মানুষ দুনিয়ার জীবনে সুখে থাকবার লাইগা কত্তো
কিছু চায় কও!
বাড়ি, গাড়ি ধন-দৌলত, বালাখানা কত্তো কিছু!
আর আমি একজীবনে খালি তুমারে চাইছি।
তুমারে পাইলে আমার সারা দুনিয়া পাওয়া হইয়া যাইতো।
বিশ্বাস করো কবিয়াল! আমার একদিকে দুনিয়া আর অন্যদিকে তুমি যদি হইতা, আমি এক চিল্লানি দিয়া
শুধু তুমারে চাইতাম! তুমারে চাইতাম!

(বাদল বরিষণে/বুনোহাঁস সপ্তম সংখ্যা)